Row Content
stringlengths
4
141k
প্রশ্ন: জনৈক নারী শাওয়ালের চারটি রোজা রাখার পর মাসের শেষ দিকে তার হায়েয শুরু হয়ে গেছে। তাই তিনি ছয় রোজা শেষ করতে পারেননি; দুইদিন বাকী ছিল। শাওয়াল মাস চলে যাওয়ার পর তিনি কি এ রোজাগুলো রাখতে পারবেন?
এ হাদিসের আপাত অর্থ হচ্ছে- যে ব্যক্তি শাওয়াল মাসে ছয় রোজা রাখবে সে এ সওয়াব পাবে।
অতএব, যে ব্যক্তি যিলহজ্বের দশদিনে এ রোজাগুলো রাখল তার কোন গুনাহ হবে না; বরঞ্চ যিলহজ্বের এ দিনগুলোতে রোজা রাখার ব্যাপারে ফজিলতের কথা এসেছে। তাই এ দিনগুলোর ফজিলতও যদি পাওয়া যায় এবং উদ্দেশ্যও যদি হাছিল হয় সেটা আরও ভাল। বরং যিলক্বদ মাসে রোজাগুলো রাখাও ভাল। মূলকথা: দিন যত পেরিয়ে যাবে কষ্ট বেশি হওয়ার কারণে সওয়াব তত বাড়বে।
উদ্দেশ্য হচ্ছে- রমজান মাসের রোজা দশমাস রোজা রাখার সমতুল্য; আর ছয় রোজা দুইমাস রোজা রাখার সমতুল্য। তাই যদি এ রোজাগুলো শাওয়াল ছাড়া অন্য মাসে রাখা হয় হুকুম অভিন্ন। তিনি বলেন: এটি সূক্ষ্ম দৃষ্টির নির্যাস; সুতরাং তোমরা তা জেনে রেখো।
কুরতুবী এ মতটি উল্লেখ করেছেন। কারণ রোজার ফজিলত হচ্ছে- এর সওয়াব দশগুণ বৃদ্ধি পাওয়া। যেমনটি সাওবান এর হাদিস থেকে জানা যায়। শরিয়তের রুখসত বা সহজটা গ্রহণ করা উত্তম।
এ রোজাগুলোকে রমজানের ফজিলতের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে যেহেতু এ রোজাগুলো রমজানের সীমানার সন্নিকটে; এ কারণে নয় যে, এ রোজাগুলোর প্রতিদান দশগুণ। তাছাড়া যেহেতু এ রোজাগুলো রাখা রমজানের ফরজ রোজা রাখার সমান ফজিলতপূর্ণ।
শাফেয়ী মাযহাবের একদল আলেমের মতে, যে ব্যক্তি শাওয়াল মাসে রোজাগুলো রাখতে পারেনি সে যিলক্বদ মাসে রোজাগুলো কাযা করবে। তবে সে ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির চেয়ে কম সওয়াব পাবে যিনি শাওয়াল মাসে রোজাগুলো পালন করেছেন। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি রমজান মাস সিয়াম পালন করল ও শাওয়াল ছাড়া অন্য মাসে ছয় রোজা রাখল সে রমজান মাসে রোজা রাখার ও ছয়দিন নফল ...
আর যে ব্যক্তি শাওয়াল ছাড়া অন্য মাসে ছয়টি রোজা রাখবে সে ব্যক্তি আজীবন নফল রোজা রাখার সওয়াব পাবে; সওয়াব কয়েকগুণ বাড়বে না।
এ ফজিলত শাওয়াল মাসে রোজাগুলো রাখা ছাড়া অর্জিত হবে না। এটি হাম্বলি মাযহাবের অভিমত।
কেউ যদি কিছু রোজা রাখে; কিন্তু কোন ওজরের কারণে সবগুলো রোজা রাখতে না পারে আশা করা যায় সে সওয়াব পাবে ও ফজিলত অর্জন করবে।
শাইখ বিন বায বলেন: শাওয়াল মাসে শেষ হয়ে যাওয়ার পর এ রোজাগুলো কাযা করার কোন বিধান নেই। কারণ এটি সুন্নত এবং এ সুন্নত পালন করার সময় পার হয়ে গেছে; হোক না সে ব্যক্তি কোন ওজরের কারণে কিংবা ওজর ছাড়া রোজাগুলো রাখেনি।
যে ব্যক্তি শাওয়াল মাসের চারদিন রোজা রাখতে পেরেছে; বিশেষ পরিস্থিতির কারণে ছয়দিন পূর্ণ করতে পারেনি তার ব্যাপারে বলেন: শাওয়াল মাসের ছয়দিন রোজা রাখা একটি মুস্তাহাব আমল; ফরজ আমল নয়। আল্লাহই তাওফিকদাতা।
আবার কোন কোন আলেম সে রোজাগুলোর ফজিলত সাব্যস্ত করলেও বলেন যে, এর ফজিলত শাওয়াল মাসে রাখার চেয়ে কম। আর কোন কোন আলেমের মতে, যদি ওজরের কারণে কেউ রোজাগুলো রাখতে না পারে তাহলে সে পূর্ণ সওয়াব পাবে। আল্লাহর অনুগ্রহ প্রশস্ত। আল্লাহর দানের কোন সীমা নেই। সুতরাং এ বোনটি যদি শাওয়ালের দুইদিনের পরিবর্তে যিলক্বদ মাসে দুইদিন রোজা রাখে স...
আল্লাহই ভাল জানেন।
এবার সঙ্গীত শিল্পী টি ডব্লিউ সৈনিক তার জন্মদিনে তার ভক্ত, শ্রোতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য প্রকাশ করছেন নতুন একটি মৌলিক গান।
আগামী ১২ই নভেম্বর ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নভেম্বর রেইন ভলিউম ২।
বাবরের মতো পিতৃস্নেহে,কতরাত তুমি জেগেছ শিয়রেদেখেছি তোমার উদ্বিগ্ন আঁখিচোখ মেলে নির্ঘুম রাতে। বাদুর ডানার মতো-সারারাত দোলে তালপাখাটাতোমার পুণ্য হাতে।
মরে যাওয়া মানুষ আর চলে যাওয়া দিন দুটি একই রকম একবার চলে গেলে আর কখনো ফিরে আসে না।
২০২২ এর ১৪ এপ্রিল ২৫ বছর পূর্তি হলো বাংলাদেশের নাগরিক ব্যান্ড কিংবা অল্টারনেটিভ রক ব্যান্ড শিরোনামহীন-এর।
সঙ্গীত আমাদের জীবনের পরম বন্ধু স্বরূপ। গানের কথায় এবং সুরে আমরা আমাদের জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে পাই।
বাংলাদেশের অর্থহীন ব্যান্ডের খ্যাতিমান বেস গিটারিস্ট সুমন। সুমন দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত সামিতিভেজ হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে আসছিলেন।
- মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না। একজন বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন গুনী সঙ্গীত পরিচালক ও কণ্ঠযোদ্ধা।
একজন শিল্পী, স্রষ্টার বিশেষ সৃষ্টি। শিল্পীর সাথে স্রষ্টার নিবিড় সম্পর্ক আছে। সভ্যতার পৃথিবী গড়তে আদি থেকেই শিল্পীর ভূমিকা চালকের আসনে ছিলো!
সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা সঙ্গীতাঙ্গন -এর কাজই হল সঙ্গীত জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সুখ-দুঃখ এবং তাঁদের কাজের মূল্যায়ন করা।
ফরিদ আহমেদ এর শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নাহ! তাঁর জন্য দোয়া করবেন।
সঙ্গীত বিষয়ক পত্রিকা সঙ্গীতাঙ্গন -এর কাজই হল সঙ্গীত জগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সুখ-দুঃখ এবং তাঁদের কাজের মূল্যায়ন করা।
পদ্মা সেতু নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য গৌরবময়।
- মোঃ মোশারফ হোসেন মুন্না।
শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, যিনি একধারে বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় গীতিকবি।
যখন আমি থাকবো নাকোআমায় রেখো মনেও বন্ধু ওগো আমায় খুঁজোসুরের আলাপনে।
বাংলা সঙ্গীত অঙ্গনে অসংখ্য শিল্পীর বিচরণ। তার মাঝে কণ্ঠশিল্পী বন্দনা চক্রবর্তী আলোচিত এক।
তাই সঙ্গীতাঙ্গন এর ঈদ আয়োজনে থাকেনানা রকম আনন্দের গান।
আমরা চাই মিউজিকের সেবক হয়ে থাকতে।
শিরোনাম দেখেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন আজ কথা হবে কার সাথে?
দিনাত জাহান মুন্নী বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ছোটবেলা থেকেই তিনি সঙ্গীতের সাথে জড়িত। চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবেই বেশী পরিচিত মুন্নী।
তারপর আর তাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গীতিকবি কবির বকুলের সহধর্মিনী। ১৯৯৭ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুটি কন্যা এবং একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। মেয়েদের নাম প্রেরণা এবং প্রতীক্ষা, ছেলের নাম প্রচ্ছদ।
আজ ৩০ আগস্ট এই গুনী শিল্পীর জন্মদিন। এই উপলক্ষে তার সাথে কথা হয়। কেমন করে কাটাবেন তিনি এই জন্মদিন? জিজ্ঞাসার জবাবে বলেন, বর্তমান করোনার প্রকোপের কারণে, তেমনভাবে আর করা হচ্ছে না। তারপরেও কিছু না কিছু করতেই হয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায়। তাই ঘরোয়া পরিবেশেই ক্ষুদ্র পরিসরেই কিছু ভক্তরা আসবে, সন্ধ্যার পরে হয়তো কিছু ভালো-মন্দ...
গানের জগতে অনুপ্রেরণার কথা জানতে চাইলে তিনি সর্বাগ্রে তার মায়ের কথা স্মরণ করে বলেন, মা-ই গানের জগতের প্রথম অনুপ্রেরণা আমার তারপর পরিবার এবং বিয়ের পরে কবির বকুল।
আরো কিছু জানতে চাইলে তিনি যা বলেন- প্রতিটি দিনইতো মানুষের জন্ম হয় প্রতি নতুন দিনের সাথে, প্রতিটি সকাল দেখাটাই একটা জন্ম। তবে শ্রষ্টার কাছে লাখো শুকরিয়া যে, তিনি এখনো পর্যন্ত আমাকে, আমার পরিবারের সবাইকে সুস্থ শরীরে বাঁচিয়ে রেখেছেন এই করোনা নামক মহামারীতে এটা একটা বড় পাওয়া। এবং তাদের ভালোবাসা আমার জন্য গাইডলাইনের মতো।
এবং সবার প্রতি রইলো আমার পক্ষ থেকে শুভ কামনা ও ভালোবাসা।
সঙ্গীতাঙ্গন এর পক্ষ থেকেও রইলো সঙ্গীত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নীর জন্য জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
লালবাজারে হাজিরা দিতে নারাজ নারদ-কর্ণধার ম্যাথু স্যামুয়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফের আইনজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার পাঠানো ই-মেলে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রীর অভিযোগের প্রতিলিপি চেয়েছেন ম্যাথু। সেই আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান এক পুলিশকর্তা।
এই খবরটি সেভ করে রাখার জন্য পাশের আইকনটি ক্লিক করুন।
লালবাজারে হাজিরা দিতে নারাজ নারদ-কর্ণধার ম্যাথু স্যামুয়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফের আইনজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার পাঠানো ই-মেলে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রীর অভিযোগের প্রতিলিপি চেয়েছেন ম্যাথু। সেই আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান এক পুলিশকর্তা। নারদের স্টিং অপারেশনের ব্যাপারে অভিযোগ নিয়ে মেয়...
বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লালবাগ কেল্লা। রাজধানী ঢাকার বুড়িগঙ্গার কোলঘেঁষে কালের সাক্ষী হয়ে থাকা এ ঐতিহাসিক নিদর্শনটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান।
তাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এটি পরিদর্শনের জন্য প্রতি বছর কয়েক সহস্রাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।
তাছাড়া রাজধানীর বাসিন্দাদের কাছে লালবাগ কেল্লা হচ্ছে রোমাঞ্চকর বিনোদন কেন্দ্র। জানা যায়, ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম সম্রাট আওরঙ্গজেবের সুযোগ্য পুত্র শাহজাদা আজম এ প্রাসাদ নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।
এর অভ্যন্তরে স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে হাম্মামখানাসহ একটি সুরম্য দ্বিতল দরবার হল, একটি সমাধি সৌধ, তিন গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদ ও একটি পুকুর। যদিও কয়েক বছর ধরে পুকুরটিতে পানি নেই।
তাছাড়া তিনটি সুদৃশ্য তোরণের পাশাপাশি দক্ষিণ এবং পশ্চিমের দুর্গ প্রাচীরের নির্দিষ্ট দূরত্বে পরপর একটি করে তোপমঞ্চ রয়েছে। ১৭০০ শতাব্দীর এসব স্থাপনাশৈলী দেখলে প্রাচীন মুঘল শাসনামলের খণ্ডচিত্র যে কারোর চোখের সামনে ভেসে আসে।
বিশেষ করে হাম্মাম ও দরবার হলে সুবেদার শায়েস্তা খানের ব্যবহারের জন্য সুরম্য দ্বিতল ভবনটিতে সংরক্ষিত থাকা পারকাশন লক পিস্তল, ফ্রিন্ট লক পিস্তল, সিসার গুলি, কামান, লোহার তরবারি, সুরাহি ধাতু দিয়ে তৈরি চীনা গামলা ও সঞ্চয়পত্র, সৈনিক পোশাক, লোহার জালের বর্ম, গুপ্তি, তীর ও বর্ষা, বক্ষবর্ম নিরোধকসহ এর অসংখ্য নিদর্শনই বলে দেয় তৎ...
লালবাগ কেল্লার অন্যতম আকর্ষণ হল, এর ভেতরে পশ্চিম পাশে অবস্থিত শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা পরীবিবির সমাধি।
কক্ষগুলোর ছাদও কষ্টিপাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। মূল সমাধি সৌধের কেন্দ্রীয় কক্ষের ওপরের কৃত্রিম গম্বুজটি তামার পাত দিয়ে তৈরি হওয়ায় এতে যোগ হয়েছে ভিন্ন মাত্রা। বাংলাদেশে এমন সমাধি সৌধ দ্বিতীয়টি নেই।
তাছাড়া দরবার হলের বাঁকানো ছাদটিতে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঐতিহ্য চিত্রায়িত হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় নিদর্শন হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত রাজকীয় তোরণ। তিন তলাবিশিষ্ট এ তোরণটির শীর্ষের দুদিকে দুটি চিকন সুশোভিত মিনার ছাড়াও রয়েছে আট কোনাকার একটি টারেট।
এর ছাদের নিচের গম্বুজ আকৃতির সিঁড়িপথগুলোতে দর্শনার্থীরা কাটিয়ে থাকেন অবকাশ সময়। আর দুই পাশে রয়েছে ছোট ছোট প্রহরী কক্ষ। তবে একসময় চূড়ার চার কোনায় চারটি মিনারের ওপর ছোট আকৃতির গম্বুজ থাকলেও বর্তমানে মাত্র দুটির অস্তিত্ব আছে।
২০১৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি এটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পগুলোর ছবি। অবশ্য এটি উপভোগ করতে হলে দর্শনার্থীদের গুনতে হবে অতিরিক্ত ২০ টাকা। এর জন্য সময়ও নির্ধারিত রয়েছে আলাদা।
কারণ রোববার সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া লালবাগ কেল্লা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। আর সোমবার থাকে অর্ধদিবস বেলা দেড়টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রবেশের জন্য টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে দেশি পর্যটক ২০, সার্কভুক্ত দেশ ১০০, অন্য বিদেশি পর্যটক ২০০ এবং মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৫ টাকা।
লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো প্রদর্শিত হয় সন্ধ্যা ৬টা ১০ থেকে পরবর্তী ৩০ মিনিট। তাই কেল্লার দর্শনার্থীরা সেখান থেকে বের হওয়ার পরই নতুন টিকিটে তা দর্শন করতে পারেন।
তবে একটি আফসোস নিয়ে সেখান থেকে বের হতে হচ্ছে দর্শনার্থীদের। তা হল- এর ভেতরে চারদিকে সীমানাবেষ্টিত একমাত্র পুকুরে পানি না থাকা, ফোয়ারাগুলো নষ্ট হওয়ায় ছয়-সাত বছর ধরে পানিবিহীন লেক এবং মাটির নিচের পর্যটন টাওয়ারটি অকার্যকর থাকা।
এসব আকর্ষণীয় জিনিস বন্ধ থাকায় আনন্দ ষোলোকলা পূর্ণ করতে পারছে না মানুষ। অন্যদিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দ্বৈত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ থাকা এবং দর্শনার্থী অনুপাতে বিশুদ্ধ পানি ও শৌচাগার ব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় এ স্থাপনাটির সুনাম কিছুটা ম্লান হতে পারে বলে মনে করেন অনেক দর্শনার্থী।
দর্শনার্থী জিয়াউল হাসান খানের মতে, ছোটখাটো সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান না করলে এর নিজস্ব সুনাম ধরে রাখা কঠিন হবে। নারী দর্শনার্থী সাহিদা মনে করেন, দু-একটি সমস্যা বাদ দিলে লালবাগ কেল্লা হচ্ছে আমাদের গৌরবে অমলিন এক অনন্য নিদর্শন। একই কথা বললেন লালবাগ দুর্গ জাদুঘরের কস্টোডিয়ান হালিমা আফরোজ।
তিনি বলেন, এ দুর্গটি হচ্ছে বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য শিল্প। এর কিছু সমস্যা বিশেষ করে লেকগুলো কয়েক বছর ধরে অকার্যকর থাকায় পর্যটকরা পরিপূর্ণ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপের কারণে ইতিমধ্যে তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আগা খান ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান এর দায়িত্...
মাত্র ২ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম!
সকালে পত্রিকা খুল্লেই সব খারাপ খবর। চায়ের আড্ডায় শুধু পরচর্চ। এত বছরে কি আমরা কিছুই অর্জন করতে পরিনি? সফলতার খবর গুলো আলোচনা করি, মন দিয়ে দেশ গড়ি।
ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপায় অনুষ্ঠিত পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার হলে ফ্যান খুলে রাকিবুল হাসান ইমন নামে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়েছে।
জানা যায়, শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিত্যক্ত ক্লাসরুমে পরীক্ষা টি অনুষ্ঠিত হয়। কিছু সময় পরে হঠাৎ একটি ফ্যান ঘুরতে ঘুরতে পরীক্ষার্থীর গায়ের উপরে খুলে এসে পড়ে। পরীক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবার পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।
ইমনের সহপাঠীরা জানান এ কক্ষটির ফ্যান আগে থেকেই সমস্যা ছিল আমরা সবাই পরীক্ষা দিতে ছিলাম, হঠাৎ করে কক্ষটির ফ্যান খসে তার গায়ে এসে পড়ে। সে মাথায় গুরুতর আঘাত পায়।
এ বিষয়ে শেখপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লেসপাতি জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না। কারন আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা না করে পরিত্যক্ত ক্লাসরুমে পরীক্ষার কেন্দ্র বসানো হয়েছে। তাড়াহুড়া করে সে চলে যান।
করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সরকারি ছুটির সঙ্গে তালমিলিয়ে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশের দোকানপাট, বিপণিবিতান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে। তবে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, সুপারশপ ও ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি দোকানপাট, বিপনিবিতান বা শপিংমল বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানোর এই ঘোষণা দেয়।
তাঁরা সব দোকান মালিক ও কমর্চারীদের ঘরে অবস্থান করার অনুরোধ করেন।
করোনার কারণে প্রথমে দোকান মালিক সমিতি ২৫ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। পরে সেটি ৪ এপ্রিল পযর্ন্ত বাড়ানো হয়। তৃতীয় দফায় আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিল সমিতি।
এদিকে আজ সমিতি জানায়, সাধারণ ছুটিতে কেনাবেচা বন্ধ থাকায় তাঁদের দোকানগুলো থেকে দিনে ক্ষতি হচ্ছে ১ হাজার ৭৪ কোটি টাকা। তাঁরা হিসাব করেছেন একেকটি দোকানে গড়ে ২০ হাজার টাকা বিক্রি ধরে। আর লভ্যাংশ ধরা হয়েছে ১০ শতাংশ। এ হিসাব দিয়ে দোকান মালিক সমিতি কর্মচারীদের বেতন দিতে আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছে।
তাঁরা বলছেন, রপ্তানি খাতে মুজুরি ও বেতন দিতে যে তহবিল গঠন করা হয়েছে, তাঁরাও আংশিক সহায়তা হিসেবে একই ধরনের তহবিল চান।
রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্যাটেলাইট টেলিভিশনে প্রচারিত কন্টেন্টসমূহ ইন্টারনেট প্রটোকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্প্রচার করার প্রক্রিয়া হলো ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন। বিটিআরসি লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানসমূহকে আইপি ভিত্তিক ডাটা সার্ভিসের অনুমোদন প্রদান করে থাকে।
অনুমোদন ব্যতিরেকে আইপি টিভি সম্প্রচার অনৈতিক এবং টেলিযোগাযোগ আইনের ব্যত্যয়। এজন্য ইতোমধ্যে ৫৯টি অনিবন্ধিত আইপিটিভি বন্ধ করা হয়েছে।
জাগোবিডি,বাংলা২১ টিভি, মিলেনিয়াম টিভি, রেডিয়েন্ট আইপি টিভি, এটিএন মিউজিক, টাইম টেলিভিশন, লাইভ২ওয়েভ টিভি, বরেন্দ্র টিভি, রং টিভি, এটিএন ইসলামিক টিভি, মুভি বাংলা টিভি, টাইমস২৪ টিভি, প্রবাসী টিভি, আরটিভি মিউজিক, টোটাল ক্যাবল, নকশী টিভি, জয় টিভি, বী আইপি টিভি, প্যানাভিশন টিভি, চ্যানেল এস বিডি, এনআরবি টিভি, ৭১ বাংলা টিভি, ...
মাত্র পাঁচ মিনিটেই তছনছ হট ফেভারিট আর্জেন্টিনা, সাফল্যের নেপথ্যে কে?
আসিফুজ্জামান সাজিন: সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলে হেরে প্রথম ম্যাচেই বড় অঘটনের শিকার আর্জেন্টিনা।
নিউজ-বাংলাদেশ, ঢাকা: শুধু আসনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছে না রাজধানীর গণপরিবহনগুলো। ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন গণপরিবহনের যাত্রীরা। আবার এ থেকে ছড়াতে পারে সর্বত্র।
বাসে ওঠার সময় জীবাণুনাশক স্প্রেও করা হচ্ছে না। এছাড়া বাসের হেলপার প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে থেকে গায়ে হাত দিয়ে দিয়ে যাত্রী তুলছেন। এতে উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার।
যাত্রীরা বলছেন, বাসের হেলপার প্রবেশপথে না দাঁড়িয়ে দরজার সামনে প্রথম সিটে বসতে হবে। সেখানে বসে ওঠার সময় যাত্রীর তাপমাত্রা পরীক্ষা করলে করোনার ঝুঁকি কমবে। শারীরিক দূরত্বও তৈরি হবে। কিন্তু হেলপার তো প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে স্পর্শ করছেন। এভাবে চললে গণপরিবহনের মাধ্যমেই করোনার ব্যাপক বিস্তার ঘটবে।
রাজধানী ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ গণপরিবহনেই তাপমাত্রা পরীক্ষার থার্মাল স্ক্যানার নেই। ওঠার সময় যাত্রীদের স্প্রে করারও কোনো ব্যবস্থা নেই। যদিও সরকার গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধিতে সেসব শর্ত দিয়েছিল। কিন্তু এক আসন ফাঁকা রেখে বসা ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছে না পরিবহনগুলো। অবশ্য কিছু কিছু পরিবহনে দেখা গেছে, হ্যান্ড স্যানিট...
নূর, বিহঙ্গ, রাইদা, আবাবিল, তুরাগ, বলাকা, প্রচেষ্টা, ৯নং মতিঝিল ও এয়ারপোর্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিবহনে দেখা যায়, শুধু আসনে বসার সময় শারীরিক দূরত্ব মানা ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। তাড়াহুড়ো করে যাত্রী তোলার সময় গায়ে হাত দিচ্ছেন হেলপার। তবে অধিকাংশ যাত্রী মাস্ক পরেই যাত্রা করছেন।
উইনার পরিবহনের সহকারী মাখন মিয়া বলেন, বাসে যাত্রী তোলার সময় থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে পরীক্ষা করে তুললে করোনা ভাইরাস ঝুঁকি কমতো। কিন্তু সেই ব্যবস্থা আমাদের নেই। এছাড়াও যাত্রী তোলার সময় সবাই তাড়াহুড়ো করেন। পরীক্ষা করে তোলার সময় কই!
প্রবেশ পথে দাঁড়িয়ে গায়ে হাত দিয়ে যাত্রী তুললে করোনার ঝুঁকি আপনারও রয়েছে, সামনের আসনে বসে যাত্রী তুলেন না কেন, জানতে চাইলে বসুমতি পরিবহনের সহকারী রাজীব বলেন, আসলে এটা আমরা চিন্তা করিনি। এছাড়া এমনিতেই অর্ধেক যাত্রী নিয়ে আমরা চলাচল করছি। এরমধ্যে এক আসন আমি দখল করে বসলে কেমন হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তো মৃত্যু ঝুঁক...
আকিক পরিবহনের যাত্রী কৌশিক বলেন, বাসে পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। করোনার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, হেলপার দরজায় দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী তুলছেন। হেলপার সামনের আসনে বসে যাত্রী তুললে সেই ঝুঁকিটা অনেক কমে যাবে।
পল্লবী পরিবহনের যাত্রী নায়লা বলেন, গণপরিবহন চলাচলে সরকারকে তদারকি করা উচিত। এরা অনেক কিছুই মানছে না।
২০২৩ সালের প্রথম দিন থেকে ১৬১৩১ নম্বরের এ হটলাইনের মাধ্যমে সেবা পাবেন গ্রাহকরা।
এ কলসেন্টারের সেবা দিতে ডিজিকন নামের একটি দেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে পিডিবি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে পিডিবির সব গ্রাহক ১৬১৩১ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। জানতে পারবেন সব ধরনের তথ্য।
একইসঙ্গে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও তারা অভিযোগ জানাতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিযোগটি পিডিবির সংশ্লিষ্ট বিতরণ অঞ্চলে পৌঁছে যাবে।
আজকে ২০২২ সালে এসে পিডিবি সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
পরে প্রতিমন্ত্রী এক ফেইসবুক পোস্টে কল সেন্টার ও মোবাইল অ্যাপ চালুর তথ্য জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কল সেন্টার স্থাপন করা হবে বিদ্যুৎ ভবনে এবং সেখানে ডিজিকনের কর্মীরা নিয়োজিত থাকবেন। কল সেন্টারের অ্যাপটিতে পিডিবি কর্তৃপক্ষ, গ্রাহক, বিতরণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য আলাদা চারটি মডিউল থাকবে।
অ্যাপটিতে দুই ধরনের সফটওয়্যার থাকবে, একটি অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ও অন্যটি দাপ্তরিক চিঠিপত্র ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত।
প্রদর্শনীতে বিশ্ব মানের নতুন টাইলসও প্রদর্শন করে কোম্পানিটি।
আগামী ডিসেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে কাজ চলছে কয়লাভিত্তিক এ কেন্দ্রে।
ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি দিয়েছে দ্য এশিয়ান ব্যাংকার।