Row Content stringlengths 4 141k |
|---|
কেউ পালাচ্ছে না। |
বোঝাতে সক্ষম! |
আমি নিজেও কিন্তু কবিতা লিখতে পারি না। |
পড়ার জন্য ধন্যবাদ। |
যাচ্ছিলাম এ পথ ধরেই। তাকাবোনা,তাকাবো না করে চোখটা পড়েই গেলো। কি করবো ,কাকের চোখ বলে কথা!! এতো গরম গরম খাদ্যে মুখ দিতেও ভয়,,হজম হবে কি! |
মালকোঁচা মেরে,চুলে ঝুঁটি বেধে,ডঙ্কা বাজিয়ে সোরগোল তুলে,দুষ্টু দুষ্টু মনে লন্ড ভন্ড করে কিছু একটা করে ফেলা আগমনী বার্তা বাহক-কে ভয় খাচ্ছি খুবই। |
বিদায় চাইলেও লেখকদের বিদায় দিতে পিথিবি রাজি হবে বলে মনে হয় না। |
কেঁদে বাঁচি বললে তো হবে না। |
একটু অভ্যাস হয়ে গেলেই আর সমস্যা থাকবে না। |
অসাধারণ মনে পণ নিয়ে-ই থাকুন। |
এখানে লেখক নিজেকে নিজে পঁচানি দিচ্ছে। |
লেখক ভালোই পঁচানি দিলো। নিজের নাকি অন্যের, সে উত্তর আন্দাজে বুঝে নিলাম। সমস্যা হলো এই পঁচানির মর্মার্থ অনুধাবন করা সহজ কম্ম নয়। ইহা একমাত্র জ্ঞানী-গুণীজন-ই বুঝিতে পারিবেন। |
আপনাকে না বলছি ভাল হয়ে যেতে!! |
অসাধারণরাই এমন ভং-চং করে সাধারণের বেশে। |
না মানে, লেখাক নিজেরেই নিজে পঁচায়!! আপনারে পঁচাইছি। |
আমারে পঁচাইছেন? আমি বড়োই প্রফুল্লবোধ করতাছি। |
দেখুন যারে-তারে পঁচানি দেওয়া যায় না, দেয়া ঠিক-ও না। |
একটু ফোকলা-দাঁতি হাসি অন্তত দিন। |
এট্টু অভিশাপ দিয়ে দিন!! |
এ তো দেখছি মহা ফ্যাসাদ!! |
৩০ টা দাঁত আছে। মোটেও ফোকলা দাতি নই আমি। |
সে পরচুলা তো আপনার আয়ত্তে!! |
কুড়িয়ে পাওয়া দাঁত শুধু ত্রিশ কেন পঞ্চাশ হলেই বা কে নিষেধ করে। |
লেখাটি পোস্ট হবার পর থেকেই বোঝার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না। কে যে কার সাথে খুনসুঁটিতে লেগেছে বোঝা মুশকিল। |
আমি সাধারণ পাঠক। তাই চিন্তা কম। |
তবু, অ ব ক ঠ লিখে ফেলি মনের জোরে। লেখক হওয়ার তীব্র ইচ্ছায়। |
তবে যাইহোক, পাঠক তো এক আধটু লিখতেই পারে। কি বলেন? |
আপন ভেবে আপনাকেই মনের কথা বলে ফেললাম!! |
কিছু লিখতে না পারা থেকেই এখানে নিজের সাথের নিজের ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ!! |
লেখা শিখে গেলে এ অসুখ ভাল হয়ে যাবে, তখন অতিব সাধারণ-পাঠক হয়ে যাব, পাক্কা কথা দিচ্ছি। |
তাই-তো দেখতে পাচ্ছি চোখ বুজেও। |
চোখ খুলে মানুষ এখনো নব্বই ভাগ জিনিসও ঠিক মতো দেখতে পায় না। কিন্তু মহামানবেরা চোখ বুজে তিন পৃথিবীর যাবতিয় দৃশ্য একসাথেই দেখে ফেলেন! |
খোঁজার পণ্ড-শ্রম থেকে আমরা বেঁচে যেতাম। |
মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে। |
বোরহানুল ইসলাম লিটন-এর দেখোই না বলে তুমি! |
জান্নাতারা বানু। |
সোনেলা ব্লগ। |
আপলোডের জন্যে সর্বোচ্চ ফাইলের আকারঃ 100 KB। |
কপি করা হয়েছে! |
কপি করা হয়েছে! |
সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। বাদ পড়ে গেছেন ৫ টেস্ট খেলেই। ব্যর্থতায় ক্ষুধা আরও বেড়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করে ফিরতে হবে দলে। জেসন রয় আত্মবিশ্বাসী, সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতো সাফল্য পাবেন টেস্টেও। |
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জেতায় বড় অবদান ছিল ২৯ বছর বয়সী রয়ের। |
বিশ্বকাপের পরপরই ডাক পান আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট দলে। লর্ডসে অভিষেক ইনিংসে ওপেনিংয়ে নেমে ফেরেন দ্রুত। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনে নেমে করেন ৭২ রান। |
পরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে অবশ্য ভালো করতে পারেননি। টপ ও মিডল অর্ডারের বিভিন্ন পজিশনে খেলানো হলেও মেলেনি সাফল্য। সব মিলিয়ে নিজের ১০ ইনিংসে করতে পেরেছেন কেবল ১৮৭ রান। |
এরপর জায়গা পাননি নিউ জিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টেস্ট দলে। ছিলেন না করোনাভাইরাসের কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে স্থগিত হয়ে যাওয়া টেস্ট সিরিজের দলেও। রয় জানান, আরও বেশি পরিশ্রম করে ফিরতে চান এই সংস্করণে। |
তিন সংস্করণের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটকেই সেরা মনে করেন রয়। এই সংস্করণে নিজেকে প্রমাণের তাগিদ ভালোভাবেই অনুভব করছেন নিজের মাঝে। চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন টেস্টে স্থায়ী হওয়ার। |
তবে নিজের জায়গার জন্য আমাকে আবার লড়াই করতে হবে। দলে ফিরে আমাকে প্রমাণ করতে হবে যে, আমি আসলে রান করতে পারি। |
ভারত-নিউ জিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ভেসে গেল বৃষ্টিতে। |
বিসিএলের দুই রাউন্ডে হাসেনি লিটনের ব্যাট। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে জাতীয় দলের প্রধান কোচের সঙ্গে কাজ করার সুযোগটা দুই হাতে লুফে নিলেন তিনি। |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন। |
প্রায় ২৫ বছর আগের কথা। তখনো জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি-কোচবিহারের রাস্তায় বড়দের দেখলে অল্প বয়সীরা সিগারেট লুকিয়ে ফেলত। কিন্তু তার মুখের সামনে সিগারেট খাওয়ার কথা ভাবা যেত না। নিজের পরিবারের বাইরে পাড়ার মানুষদের নিয়ে আরও বড় একটি পরিবার বহুকাল ধরেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তার দেওয়া টাকা নিয়ে সাইকেল চালিয়ে ছুটে যেতাম মিষ্টি আনতে। একটুও ... |
আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, হোস্টেলে থাকি। বাবার পাঠানো টাকায় চলি। কোনো ক্ষমতা নেই। সেই আমার ওপর ভরসা যার সেই মামা থাকতেন জিলা স্কুলের পাশে, খুব গম্ভীর প্রকৃতির লোক। না রক্তের সম্পর্ক, না আত্দীয়তার বন্ধন, কী করি বুঝতে সময় লাগল। ক্লাসের বন্ধুদের বলতেই তারা হইহই করে এগিয়ে এলো। মেডিকেল কলেজে কারও দাদা জুনিয়র ডাক্তার, ক... |
আমরা কয়েকজন সেই যে তাদের সঙ্গ নিয়েছিলাম, সুস্থ করে ট্রেনে তুলে না দিয়ে তা ছাড়িনি। কলকাতার বন্ধুরা জানত তিনি আমার নিজের মামা। ভুলটা ভাঙাইনি। কারণ, একজন অর্ধপরিচিত পাড়ার মামার জন্য কলকাতায় কেউ এত ব্যস্ত হয় না। |
কলকাতার বাতাস ওখানেও পেঁৗছে গেছে। পাড়া দূরের কথা, পাশের বাড়ির মানুষের সঙ্গে পরিচয় নেই অনেকের। ৩০-৪০ বছর আগে জলপাইগুড়ির মানুষ বাড়ি তৈরি করে অথবা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। তখন জলপাইগুড়িতে মাল্টিস্টোরিড বাড়ি তৈরি হয়নি, ফ্ল্যাট কিনে মানুষ সেখানে বসবাস আরম্ভ করেনি। দু-তিন ঘরের খাঁচায় বাস করার কথা তারা ভাবতে পারতেন না। বাড়ির ভিতর... |
আমার ছোট পিসিমার বিয়ে হয়েছিল কৃষ্ণনগরের পাত্রের সঙ্গে। বরযাত্রীরা যখন এলো তখন পিতামহ আমার পিতাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাঁদের দেখাশোনার। বিয়ের রাত্রে তাদের অনেককেই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেল। খাবারের অপচয় করলেন সেই কারণে। পিতা বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন, তার নিষেধ ওরা শোনেনি। আমি ওই মদ্যপদের পরিবারে মেয়ের বিয়ে দিতাম না। তুমি... |
আদেশ শুনে বড় পিসিমা কেঁদে উঠেছিলেন, মা পাথরের মতো বসেছিলেন। |
নব্বই সালের একটি ঘটনা মনে পড়ছে। জলপাইগুড়িতে সিরিয়ালের শুটিং করতে কলকাতা থেকে যে দল গিয়েছিল তাদের মধ্যে একজন নামি অভিনেতা ছিলেন, যিনি নিয়মিত পরিমিত মদ্যপান করতেন। তার সঙ্গে আড্ডা মারতে গিয়েছিলাম আমি, সঙ্গী শহরের আরও দুজন, যার একজন অধ্যক্ষ, একজন সরকারি উকিল। তিনি পান করলেন, আমরা কথা বললাম। বোতলটি শেষ হয়ে গেলে আমরা যখন উঠ... |
নেপালের ভূমিকম্প প্রাকৃতিক নয়, মানব সৃষ্ট! |
এটিই আমার পথ। |
আমি আমার দাওয়াতে শুধু এক আল্লাহর এবাদতের দিকেই আহবান করছি, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আমার দাওয়াত সম্পর্কে খুব ভালভাবেই অবগত আছি এবং তার সত্যতা সম্পর্কেও আমি নিশ্চিত বিশ্বাসী। আমি এই পথে একা নই। যারা আমার প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে এবং আমাকে সত্যায়ন করেছে, তারাও জেনে বুঝে একই দাওয়াত দিচ্ছে। আল্লাহ্ তাআলার রাজত্বে এবাদতে কো... |
এই আয়াতটি ঐ কথার প্রমাণ বহন করে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসারীগণ জ্ঞানী হবেন এবং তারা আল্লাহর দিকে মানুষকে আহবান করবেন। যারা এ সমস্ত গুণাবলী হতে খালি হবেন, তারা প্রকৃত পক্ষে তাঁর অনুসারী হতে পারবে না। তিনি শুধু অনুসারী হওয়ার দাবীদার বলে গণ্য হবেন। |
দাওয়াতের পথে তিনি এবং তাঁর সাহাবীগণ আমরণ জিহাদ করেছেন। তাওহীদের দাওয়াত দেয়া আবশ্যক- এ বিষয়ে অনেক আয়াত রয়েছে। |
হে মুআয! তুমি আহলে কিতাবদের একটি গোষ্ঠির দিকে তুমি যাচ্ছ। সর্বপ্রথম তুমি এই কথার দিকে মানুষকে এই কথার সাক্ষ্য দেয়ার দাওয়াত দিবে যে, আল্লাহ্ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। এখানে আহলে কিতাব বলতে ইয়ামানে বসবাসকারী সেই সময়ের ইহুদী ও নাসারা উদ্দেশ্য। |
সেখানকার ইহুদী ও নাসারারা এই কালেমাটি উচ্চারণ করত। কিন্তু তারা এর অর্থ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল। আর তা হচ্ছে এককভাবে আল্লাহর এবাদত করা, তাঁর সাথে অন্য কিছুকে শরীক না করা এবং আল্লাহ্ ছাড়া অন্যের এবাদত বর্জন করা। সুতরাং তাদের লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ পাঠ করা তাদের কোন উপকার করবে না। কেননা তারা এই কালেমার অর্থ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল। পর... |
যদি তোমরা জান, তবে বল। এখন তারা বলবে: সবই আল্লাহ্র। বলুনঃ তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না? এখন তারা বলবে: আল্লাহ্। বলুন: তবুও কি তোমরা ভয় করবে না? বলুনঃ তোমাদের জানা থাকলে বলঃ কার হাতে সব বস্তুর কর্তৃত্ব? বলুন: তোমাদের জানা থাকলে বল, কার হাতে সব বস্তুর কর্তৃত্ব, যিনি রক্ষা করেন এবং যার কবল থেকে কেউ রক্ষা করতে পারে না? এখন ... |
হে নবী! আপনি জিজ্ঞেস করুন, তোমাদেরকে আসমান থেকে ও যমীন থেকে কে রুযী দান করেন? কিংবা কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক? তাছাড়া কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করেন এবং কেইবা মৃতকে জীবিতের মধ্য থেকে বের করেন? তখন তারা বলে উঠবে, আল্লাহ! তখন তুমি বলো, তারপরেও ভয় করছ না? |
এতে করে তারা মুসলমান হয়ে যায় নি। কেননা তারা কালেমায়ে তাইয়্যেবা যেই তাওহীদে উলুহীয়াতের দাবী জানায়, তা অস্বীকার করেছিল। তারা যে বিষয়টি অস্বীকার করেছিল, তা হচ্ছে ইখলাসের সাথে ও এককভাবে আল্লাহর এবাদত করা, শির্ক প্রত্যাখ্যান করা এবং শির্ক ও মুশরিকদের সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা। |
একটি বিষয়ের দিকে আস, যা আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান। তা এই যে, আমরা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও এবাদত করব না, তার সাথে কোন শরীক সাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহ্কে ছাড়া কাউকে প্রতিপালক বানাব না। |
এই আয়াতে যেই তাওহীদের কথা বলা হয়েছে, তা হল দ্বীনের মূলভিত্তি। |
তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও এবাদত করো না। এটাই সরল পথ। |
অতএব, আপনি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ্র এবাদত করুন। জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ এবাদত আল্লাহ্রই নিমিত্ত। |
নবী-রাসূলগণ যেই তাওহীদের দিকে মানুষকে আহবান করেছেন এবং যেই তাওহীদসহ আসমানী কিতাবসমূহ নাযিল করা হয়েছে, কুরআন মজীদে সেই প্রকার তাওহীদের বিবরণে অনুরূপ আয়াত অনেক রয়েছে। এই কিতাবে আমরা এ রকম কিছু আয়াত উল্লেখ করব, ইনশা-আল্লাহ্। |
তারা যদি এ কথা মেনে নেয় তবে তুমি তাদেরকে বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন। তারা যদি এ কথাও মেনে নেয় তবে তাদেরকে বল আল্লাহ তাদের সম্পদের যাকাত ফরজ করেছেন। ধনীদের কাছ থেকে আদায় করে দরীদ্রদের মাঝে তা বন্টন করা হবে। |
ব্যাখ্যাঃ তুমি সর্বপ্রথম কালেমায়ে তাওহীদ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্-এর দিকে দাওয়াত দিবে। এতে প্রমাণিত হয় যে, বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব হচ্ছে, তাওহীদুল ইবাদাহ্। অর্থাৎ এককভাবে আল্লাহর এবাদত করা। কেননা এটিই হচ্ছে দ্বীনের মূল এবং ইসলামের মৌলিক ভিত্তি। |
মুতাকাল্লিমীন তথা যুক্তিবিদরা বলে থাকেন যে, বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব হচ্ছে, যুক্তি প্রমাণের মাধ্যমে আল্লাহর পরিচয় লাভ করা। সঠিক কথা হচ্ছে, এটি ফিতরী তথা সৃষ্টিগত বিষয়। আল্লাহ্ তাআলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে তাঁর পরিচয় ঢুকিয়ে দিয়েই সৃষ্টি করেছেন। এ জন্যই রাসূলগণ তাদের জাতিসমূহকে সর্বপ্রথম তাওহীদুল ইবাদাহ্-এর দিকে ... |
সুতরাং সুস্থ বিবেক ও মস্তিস্ক অবশ্যই সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বকে মেনে নিবে। তিনি সকল সৃষ্টির একমাত্র সৃষ্টিকর্তা। সুতরাং তিনি ব্যতীত অন্য কেউ এবাদতের হকদার নয়। তাঁর কোন শরীক নেই। অতীতের অধিকাংশ জাতি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিয়েছে। কিন্তু তাঁর সাথে সুপারিশকারীদের এবাদতও করে থাকে। তাদের ধারণা এ সমস্ত সুপারিশকা... |
তিনিই আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছেন। উক্ত আয়াতে ঈমানে বলতে এই ঈমানই তথা তাওহীদে রুবুবীয়াতের প্রতি ঈমান উদ্দেশ্য। উত্তরে তারা বলবেঃ আল্লাহ্! তাদের ঈমান এর মধ্যেই সীমিত। কিন্তু তারা আল্লাহর সাথে অন্যের এবাদতও করে। পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে যে, কুরআন ও হাদীছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্-এর অনেক ভারী ভারী শর্ত জুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ... |
তারা যদি আল্লাহর ওয়াহদানিয়্যাত বা একত্ববাদের স্বীকৃতি প্রদান করে তাহলে তাদেরকে জানিয়ে দিও যে, আল্লাহ তাআলা তাদের উপর দিনে-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে দিয়েছেন। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মুশরিকের উপর নামায ফরজ নয়। তবে সে যখন প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল প্রকার শির্ক বর্জন করে ইসলাম গ্রহণ করবে, তখন নামায ফরজ হবে। কেনন... |
এতে প্রমাণ মিলে যে, তাওহীদে বিশ্বাস না করলে এবং সকল শর্ত, আরকান এবং ওয়াজিব বিষয়গুলোসহ নামায আদায় করাতে ও যাকাত আদায় করাতে কোন লাভ হবে না। কুরআনে যাকাতকে নামাযের সাথে মিলিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। |
যে ব্যক্তি এই কাজগুলো সম্পাদন করবে, সে অন্যান্য কাজগুলোও বাস্তবয়ান করবে। কেননা তাওহীদ, নামায এবং যাকাত- এই তিনটি বুনিয়াদী আমলের দাবী হচ্ছে, যে ব্যক্তি এই তিনটি আমল করবে, সে অন্যান্য আমলগুলোও করবে। |
আর উপরোক্ত হাদীছে যাকাত ব্যয়ের খাতও বর্ণিত হয়েছে। |
তারা যদি এ ব্যাপারে তোমার আনুগত্য করে তবে তাদের উৎকৃষ্ট মালের ব্যাপারে তুমি খুব সাবধানে থাকবে। এখানে সাবধান করা হয়েছে যে, আল্লাহ্ তাআলা যাকাতের মধ্যে যে সমস্ত বিধান শরীয়তভূক্ত করেছেন, তার সীমা অতিক্রম করা ঠিক নয়। যাকাতে মধ্যম মানের মাল গ্রহণ করা হবে। এ রকম করা হলে মালদার সৎ নিয়তে এবং সন্তুষ্ট চিত্তে যাকাত প্রদান কর... |
আর মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করে চলবে। কেননা মজলুমের ফরিয়াদ এবং আল্লাহ তাআলার মাঝখানে কোন পর্দা নেই। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, যাকাত উসুলকারী যদি যাকাত সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে শরীয়তের নির্ধারিত সীমা লংঘন করে, তাহলে সে জালেম হিসাবে গণ্য হবে। আর মাজলুমের দুআ কবুল হয়ে থাকে। আল্লাহর মাঝে এবং মাজলুমের দুআর মাঝে এমন কোন পর্দা ন... |
তার হাতে আল্লাহ তাআলা বিজয় দান করবেন। কাকে ঝান্ডা প্রদান করা হবে এ উৎকণ্ঠা ও ব্যাকুলতার মধ্যে লোকজন রাত্রি যাপন করলো। যখন সকাল হয়ে গেল, তখন লোকজন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট গেল। তাদের প্রত্যেকেই আশা পোষণ করছিল যে, ঝান্ডা তাকেই দেয়া হবে, তখন তিনি বললেন, আলী বিন আবি তালিব কোথায়? বলা হলো, তিনি চক্ষ... |
ব্যাখ্যাঃ এই হাদীছে খায়বার বিজয়ের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে এখানে নবুওয়াতে মুহাম্মাদীরও আলামত রয়েছে। কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেই খবর দিয়েছিলেন, তার হুবহু বাস্তবায়ন হয়েছে। |
সে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালবাসেন। মুসলিমদের ইমামদের সাথেও খাস নয়। কেননা যেই মুত্তাকী মুমিন আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলকে ভালবাসে, আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালবাসেন। এ রকম কথা বাতিল। যার সম্পর্কে আল্লাহ্ তাআলা অবগত আছেন যে, সে কাফের অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে, আল্লাহ্ তাআ... |
এই হাদীছ থেকে জানা গেল যে, মুহাব্বাত তথা ভালবাসা আল্লাহ্ তাআলার একটি গুণ। জাহ্মীয়া এবং তাদের অনুসারীরা এটিকে বিশ্বাস করেনা। দাওয়াত কবুল না করলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলেছেন। সীরাতের কিতাবসমূহে এই কারামতগুলো উল্লেখিত হয়েছে। |
এই হাদীছে ইসলামের প্রতি মানুষকে আহবান করার গুরুত্ব বুঝা যাচ্ছে। |
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আলী বিন আবি তালিব কোথায়? বলা হল, তিনি চক্ষুর পীড়ায় ভোগছেন। লেখক বলেনঃ এতে তাকদীরের প্রতি ঈমান আনয়নের বিষয়টি জানা গেল। কেননা যারা ঝান্ডা পাওয়ার চেষ্টা করল, তারা তা পেল না। আর যিনি কোন চেষ্টাই করেন নি, তিনি পেয়ে গেলেন। |
তাঁকে ডেকে পাঠালেন। যাতে তিনি তাঁকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ডেকে নিয়ে আসেন। এতে তিনি তাৎক্ষণিক পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুআর বরকতেই এমনটি হয়েছিল। অন্য হাদীছে এসেছে, তিনি দুআ করলেন। তাঁর দুআ কবুল করা হল। এতেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতে... |
তখন তাদেরকে ইসলামের দিকে আহবান করবে- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য এটিই। মুসলিমদের উচিৎ, শুধু মানুষকে ইসলামের দিকে হেদায়াত করার উদ্দেশ্যেই এবং তাতে দাখিল করার জন্যই তারা জিহাদ পরিচালনা করবে। মুসলিম শাসকদের এটিই একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। ইসলামের মূলনীতিগুলোর প্রতি অন্তর দিয়ে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর সামনে মস্ত... |
অতঃপর তাদের উপর আল্লাহর যে হক রয়েছে, সে সম্পর্কে তাদেরকে জানিয়ে দাও- অর্থাৎ কালেমায়ে তায়্যেবা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্-এর যে সমস্ত হক আল্লাহ্ তাআলা শরীয়তের অন্তর্ভূক্ত ও নির্ধারণ করেছেন এবং যে সমস্ত বিষয়ের হুকুম করেছেন, তা তাদেরকে জানিয়ে দাও। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, বান্দার আমলসমূহও ঈমানের অন্তর্ভূক্ত। তবে আশায়ে... |
কেননা কারামত অলীদের অতিরিক্ত ফজীলতের প্রমাণ বহন করে। সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করা, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাসহ তাঁর আরও অনেক ফজীলত রয়েছে, যা অন্যদের ছিল না। আহলে বাইত এবং অন্যদের ব্যাপারে যারা মুশরিকদের ন্যায় আকীদাহ পোষণ করেছিল, তিনি তাদের সাথে একই আচরণ করেছিলেন। এমনকি তিনি তাদেরকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। |
যাদের উপর শয়তান ও শয়তানি শক্তি জয়লাভ করেছে, তাদের কারও কাছ থেকে কিছু কিছু শয়তানী কার্যকলাপ প্রকাশিত হয়ে থাকে। ফলে তারা তাদের প্রভুর সরণকে ভুলে যায়। যে সমস্ত জাহেল লোক শির্কে লিপ্ত তারা এই শয়তানী ভেলকি বাজিকে কারামত মনে করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে সেগুলো শয়তানের চক্রান্ত ও চালবাজি ছাড়া অন্য কিছু নয়। এর মাধ্যমে অনেক ... |
কেননা কুরআনের পথই হচ্ছে সরল ও সঠিক পথ। শয়তানের চাকচিক্যময় পথে দৃষ্টি না দেয়া। শয়তানের সাজানো পথে অগ্রসর হয়ে এই উম্মাতের এবং পূর্ববর্তী উম্মাতের অনেকেই ধোঁকায় পড়েছে। |
তৎকালে লাল উট ছিল আরবদের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। এখানে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে এবং যার ভাগ্যে আল্লাহ্ তাআলা হেদায়াত রেখেছেন, তার জন্য হেদায়াত প্রার্থনা করা হয়েছে। যাতে করে ইসলামের দাঈগণ হেদায়াত প্রার্থীকে সঠিক পথ প্রদর্শন করে এই বিরাট ফজীলতটি অর্জন করতে পারে। সুতরাং এ বিষয়ে মোটেই অলসতা... |
কেননা অনেক লোক হকের পথে মানুষকে আহ্বান জানালেও মূলতঃ তারা নিজের নফস বা স্বার্থের দিকেই আহ্বান জানায়। |
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ উক্তি নবুয়তেরই একটি নিদর্শন। |
যে ব্যক্তি শাওয়ালের ছয় রোজা রাখতে পারেনি সে কি যিলক্বদ মাসে এ রোজাগুলো রাখবে? |
যে ব্যক্তি শাওয়ালের ছয় রোজা রাখতে পারেনি সে কি যিলক্বদ মাসে এ রোজাগুলো রাখবে? |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.